Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

মানিকগঞ্জ জেলার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতির প্রতিবেদন

 

প্রকল্পের নামঃ ‘‘মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ (পিএলসিইএইচডি-২)’’

 

প্রকল্প শুরম্নর তারিখঃ ০১ নভেম্বর ২০০৯। কর্ম এলাকাঃ মানিকগঞ্জ জেলার ০৭ উপজেলা

পর্যায়ঃ তৃতীয় , সমাপ্ত  সাইকেলের সংখ্যাঃ০৩টি,

মোট কেন্দ্র সংখ্যাঃ ২৩৮টি

সমাপ্ত  ০৩টি সাইকেলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাঃ ৪২৮৪০জন, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ৩৯৯৯২জন(৯৩%)

প্রশিক্ষণ উত্তর আত্ম-কর্মসংস্থান/বিভিন্ন কর্মকান্ডে নিয়োজিত শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ১০০০৯জন (২৪%)

                                   (১ম  সাইকেলে ৪০১৯ জন ,

                                   ( ২য় সাইকেলে ৩৪৫৮ জন)

                                   (৩য় সাইকেল   ২৫৩২ জন

চলমান সাইকেলঃ ৩য়, শুরুর তারিখঃ ১৬/০৭/১১, শেষ  হওয়ার তারিখঃ ১৫/০৪/১২

মোট কেন্দ্র সংখ্যাঃ ২৩৮টি

প্রশিক্ষণ ট্রেডের সংখ্যাঃ ০৮((দর্জি বিজ্ঞান,ইলেকট্রিক হাউজ ওয়ারিং,গরু মোটাতাজা করণ,মৎস্য   

                                      চাষ,শ্যালো মেশিন মেরামত,বিউটি পার্লার,নার্সারী,বাঁশ বেতের কাজ)

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ১৪২৮০জন

 

বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ ১) লীড এনজিওঃ এসোসিয়েশন ফর রুরাল এডভান্সমেন্ট ইন বাংলাদেশ (আরব), ২) সহযোগী সংস্থাঃ ব্যুরো অফ হিউম্যান ফ্রেন্ডশীপ (বিএইচএফ), ৩) সোস্যাল অরগানাইজেশন ফর দি পিপল (সোপ)

প্রকল্পের ( পিএলসিইএইচডি-২ ) জনবল সংক্রান্ত তথ্যঃ

ক্রমিক নং

নাম ও পদবী

মঞ্জুরীকৃত

কর্মরত

শূন্য

১।

খাদিজা আক্তার

প্রজেক্ট অফিসার

০১ জন

০১

২।

সহকারী প্রজেক্ট অফিসার

০১ জন

০১

৩।

এম,এল,এস,এস

০১জন

০১

একনজরে সহায়ক-সহায়িকা, সুপারভাইজারদের তথ্য চিত্রঃ

 

মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ (পিএলসিইএইচডি-২) এর উদ্দেশ্যঃ

Ø        দেশে সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা পরিচালনার মাধ্যমে মানব সম্পদের উন্নয়ন

Ø        ১৬ লক্ষ নব্য সাক্ষরকে সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা কর্মসূচীতে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ইতোপূর্বে অর্জিত সাক্ষরতা দক্ষতা ধরে রাখা, সুসংহত করা ও মান উন্নত করা

Ø        অব্যাহত শিক্ষা কর্মসূচীর আওতায় কারিগরি দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অধিক আয়ের দ্বারা তাদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তা করা, তাদেরকে প্রদীপ্ত ও উৎপাদনশীল নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা

Ø        লিঙ্গ  বৈষম্য দূর করা ও নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক সমতা স্থাপন করা

Ø        সমাজে জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা ও গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা করা

Ø        সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা কর্মসূচীকে শক্তিশালী ও অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো এবং সংশিষ্ট সংস্থাসমূহের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান এবং

Ø        দীর্ঘ মেয়াদী মানব সম্পদ উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা

ক্রমিক নং

উপজেলা

কেন্দ্র সংখ্যা

শিক্ষার্থীর সংখ্যা

সহায়ক-সহায়িকার সংখ্যা

সুপারভাইজার

বাস্তবায়নকারী

 সংস্থা

পুরুষ

মহিলা

মোট

পুরুষ

 (জন)

মহিলা

(জন)

মোট

(জন)

০১

মানিকগঞ্জ সদর

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

আরব

০২

শিবালয়

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

০৩

হরিরামপুর

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

০৪

সিংগাইর

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

০৫

ঘিওর

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

বিএইচএফ (সহযোগী সংস্থা)

০৬

দৌলতপুর

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

০৭

সাটুরিয়া

৩৪টি

১০২০

১০২০

২০৪০

৩৪

৩৪

৬৮

সোপ (সহযোগী সংস্থা)

সর্বমোট

২৩৮ টি

৭১৪০

৭১৪০

১৪২৮০

২৩৮

২৩৮

৪৭৬

১৪

 

এছাড়া কর্মসূচী বাস্তবায়নের নিমিত্তে প্রতিটি উপজেলায় একজন করে মোট ৭ জন উপজেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর,

 ৫জন মাস্টার ট্রেইনার, ১ জন কম্পিউটার অপারেটর এবং ১ জন জেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর নিয়োজিত আছে।

 

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্রের ব্যবহৃত উপকরণঃ

১। প্রতিটি কেন্দ্রে ১টি কেন্দ্র ঘর ১টি চেয়ার,১টি টেবিল ,৪টি লম্বা টেবিল,৮টি লম্বা বেঞ্চ,১টি সেলফ,১টি আলমিরা,১টি নোটিশ বোর্ড,১টি ব্লাক বোর্ড, রয়েছে।

২। পড়ার উপকরন হিসাবে চেতনা-১ম,২য়,৩য় খন্ড বই, ২০ ধরনের ১২৫টি অনুসারক বই রয়েছে।

৩। বিনোদন সামগ্রী হিসাবে লুডু,দাবা,বাগাডুলি,রেডিও ও টেলিভিশন রয়েছে।

৪। প্রশিক্ষণ উপকরণ হিসাবে বিভিন্ন ট্রেডের উপকরণ দেওয়া হয়েছে।

  

 প্রশিক্ষণের ধরণঃ

১। ট্রেড প্রশিক্ষণ হিসাবে ৮টি ট্রেড চালু রয়েছে( দর্জি বিজ্ঞান ব্লক বাটিকসহ ,ওয়ার হাউজিং,গরু মোটাতাজাকরন,শ্যালো পাম্প মেরামত,মৎস্য চাষ,নার্সারী ,বিউটি পার্লার,বাঁশ বেতের কাজ)।

২। সপ্তাহে ৪দিন ট্রেড প্রশিক্ষকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বাঁকী ২ দিন সহায়ক/সহায়িকার মাধ্যমে চেতনা ও অন্যান্য অনুসারক গ্রন্থের পাঠদান এবং বিভিন্ন সরকারী /বে-সরকারী কর্মকর্তাদের দিয়ে ২০টি ইস্যু ভিত্তিক উদ্ধুদ্ধকরণ আলোচনা হয়ে থাকে।

৩। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২০ দিনের ট্রেড প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

৮। প্রশিক্ষণ শেষে সকল শিক্ষার্থীদের সনদ পত্র প্রদান করা হয়।

 

বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা কমিটিঃ

১।প্রতিটি কেন্দ্রে রয়েছে, কেন্দ্র কমিটি ব্যবস্থাপনা কমিটি(সিএমসি)।

২। উপজেলায় রয়েছে, উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কমিটি।

৩। জেলায় রয়েছে, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কমিটি।

সেকল কমিটি যথানিয়মে সভা করে থাকে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

 

লিংকেজঃ

প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে বা প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দপ্তরের সাথে(সরকারী/বে-সরকারী) যোগাযোগ স্থাপন করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা ঐ সব দপ্তর থেকে লোন নিয়ে ব্যবসা  অথবা চাকুরি গ্রহণ করে। অনেকেই নিজেই স্ব-উদ্যেগে আত্ম কর্ম সংস্থানের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। কেউ সেলাই মেশিন কিনে নিজের বাড়ীতে কাজ করছে,কেউ ব্যবসা করছে,কেউ ওয়ার হাউজিং এর কাজ করছে,কেউ গরুমোটাতাজাকরন করছে,কেউ মৎস্য চাষ করছে,কেউ বাঁশ বেতের কাজ করছে। এভাবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর  অনেক  শিক্ষার্থীরই তাদের পুর্বের থেকে বর্তমানে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। মানিকগঞ্জ জেলার আরব সংস্থা নিজেই সমিতির মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের মাঝে  ঋণ বিতরন করে তাদেরকে বিভিন্ন ব্যবসা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। 

 

মানিকগঞ্জ জেলার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রগতির প্রতিবেদন

প্রকল্পের নামঃ ‘‘মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ (পিএলসিইএইচডি-২)’’

 

প্রকল্প শুরম্নর তারিখঃ             ০১ নভেম্বর ২০০৯। কর্ম এলাকাঃ মানিকগঞ্জ জেলার ০৭উপজেলা

পর্যায়ঃ                            তৃতীয় , সমাপ্ত  সাইকেলের সংখ্যাঃ০৩টি,

মোট কেন্দ্র সংখ্যাঃ               ২৩৮টি

সমাপ্ত  ০৩টি সাইকেলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাঃ ৪২৮৪০জন, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ৩৯৯৯২জন(৯৩%)

প্রশিক্ষণ উত্তর আত্ম-কর্মসংস্থান/বিভিন্ন কর্মকান্ডে নিয়োজিত শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ১০০০৯জন (২৪%)

                                   (১ম  সাইকেলে ৪০১৯ জন ,

                                   ( ২য় সাইকেলে ৩৪৫৮ জন)

                                   (৩য় সাইকেল   ২৫৩২ জন

চলমান সাইকেলঃ               ৩য়,শুরম্নর তারিখঃ১৬/০৭/১১, শেষ  হওয়ার তারিখঃ ১৫/০৪/১২

মোট কেন্দ্র সংখ্যাঃ               ২৩৮টি

প্রশিক্ষণ ট্রেডের সংখ্যাঃ         ০৮((দর্জি বিজ্ঞান,ইলেকট্রিক হাউজ ওয়ারিং,গরম্ন মোটাতাজা করণ,মৎস্য   

                                      চাষ,শ্যালো মেশিন মেরামত,বিউটি পার্লার,নার্সারী,বাঁশ বেতের কাজ)

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ ১৪২৮০জন

 

বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ

লীড এনজিওঃ         এসোসিয়েশন ফর রুরাল এডভান্সমেন্ট ইন বাংলাদেশ (আরব),

সহযোগী সংস্থাঃ       ব্যুরো অফ হিউম্যান ফ্রেন্ডশীপ (বিএইচএফ) ও  সোস্যাল অরগানাইজেশন ফর দি

                          পিপল (সোপ)।

সমস্যাবলী:

১।ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী কিছুদিন ক্লাস করার পরই কাজের সন্ধানে ঢাকাসহ অন্যত্র চলে যায়, আবার ২-৩ মাস আসে ,ফলে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যায়।

২। মানিকগঞ্জের সাধারণ মানুষ গানভক্ত হওয়ায় রাতের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই গান শুনতে চলে যায়, ফলে রাতের শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যায়।

৩।একই জায়গায় পরপর ০৩টি পর্য়ায় হওয়ায় ৩য় পর্য়ায়ের শিক্ষার্থীদের বাড়ী কেন্দ্র থেকে দুরে হওয়ায়  অনেকেই কিছুদিন প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর কেন্দ্রে  আসতে  চায় না ।

সমস্যা সমাধানে করণীয়:

১। কেন্দ্রগুলো স্থানামত্মর করে যেখানে শিক্ষার্থী বেশী সেখানে নিয়ে যাওয়া

২।উদ্বুদ্ধকরন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বৃদ্ধি করা

৩।নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ সর্বসত্মরের জনগন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সরকারের মহতি প্রকল্প আরও ভাল হবে বলে আমার বিশ্বাস।